মনোহরপুকুরে স্ত্রী ও শ্বশুরের অত্যাচারের শিকার হয়েই খুন, ধৃত স্বামী
From : রাইট
Oct 31, 2021
4:08:30 PM
স্ত্রীকে খুন এবং মেয়েকে খুনের চেষ্টা মনোহরপুকুরে। এই ঘটনার জেরে ধৃত অরবিন্দ বাজাজ খুবই অনুতপ্ত। সে পুলিশকে জানায় পেশাদারি খুনি নয় সে। অরবিন্দের স্ত্রী অরবিন্দকে সবসময় দমিয়ে রাখত। এর ফলে তাদের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছে যায়। এবং ধীরে ধীরে তাকে মানসিক অবসাদ গ্রাস করতে থাকে। আর তার জন্যই স্ত্রীকে খুন করেছে বলে অরবিন্দ জানায়।
শনিবার সন্ধেয় ১০০ ডায়ালে পুলিশ মনোহরপুকুরের পুষ্পক অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ফোন পায়। পুলিশ তখন ওই ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশরা ওখানে দিয়ে দেখেন প্রিয়াঙ্কা বাজাজের দেহ পড়ে রয়েছে আর আদ্ভিকা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পরে আদ্ভিকাকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি করা হয়। এই ঘটনার পরেই পুলিশ অরবিন্দকে আটক করে এবং জেরা করতে শুরু করে। অতিরিক্ত জেরায় ভেঙে পড়ে অরবিন্দ তার দোষ স্বীকার করে নেয়।
অরবিন্দ জানান, ২০২০ সালে চাকরি হারায় অরবিন্দ। আর তারপরেই যোগ দেন শ্বশুরের সিমেন্টের ব্যবসায়। তার শ্বশুর গোটা পরিবারকে নিয়ন্ত্রণ করতেন। এবং তা দিন দিন অসহ্য হয়ে উঠেছিল আরবিন্দর কাছে। কোনো না কোনো অশান্তি লেগেই থাকত। প্রিয়াঙ্কা তার স্বামীর নামে কয়েকদিন আগে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। বাপের বাড়ি থেকে দেওয়া সমস্ত সামগ্রী ফিরিয়ে দিতে বলেছিলো প্রিয়াঙ্কা। আর অরবিন্দ তা ফিরিয়েও দিয়েছিল।
সূত্রে জানা গেছে, এদিন দীপাবলির পুজোর জন্য আলমারি থেকে বাসন বের করা নিয়ে প্রিয়াঙ্কার সাথে ঝগড়া হয়। আলমারির চাবি তার কাছে নেই এক বন্ধুর কাছে আছে জানান প্রিয়াঙ্কা। আর এতেই অরবিন্দ রেগে যান। রান্নাঘর থেকে ছুরি নিয়ে এসে প্রিয়াঙ্কাকে কোপাতে শুরু করে। আর এই ঘটনা মেয়ে দেখে ফেলেছিলো বলে মেয়েকেও ছুরি নিয়ে আক্রমণ করেন। আদ্ভিকা ১০০ ডায়াল করে পুলিশ কে ফোন করে। পুলিশ এসে অরবিন্দকে আটক করে।